দেশের বাজারে এএস সিরিজের নতুন দুটি ফোন এনেছে স্যামসাং

স্যামসাং তাদের এএস সিরিজের গ্যালাক্সি এ৩০এস ও এ৫০এস বাংলাদেশের বাজারে এনেছে। ফোন দুইটির দাম যথাক্রমে গ্যালাক্সি এ৩০এস এর দাম ২২ হাজার ৯৯০ টাকা এবং গ্যালাক্সি এ৫০এস দাম ২৯ হাজার ৯৯০ টাক এএস সিরিজের ফোন গুলো তিনটি কালারে পাওয়া যাবে।  যেমনঃ প্রিজম ক্রাশ ব্ল্যাক, প্রিজম ক্রাশ হোয়াইট এবং প্রিজম ক্রাশ ব্লু

গ্যালাক্সি এ৩০এস হ্যান্ডসেটটিতে যা রয়েছেঃ

  • ফোনটিতে দেওয়া হয়েছে ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা সেটআপ। ২৫ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি ক্যামেরা, ৮ মেগাপিক্সেলের ওয়াইড অ্যাঙ্গেল ক্যামেরা ও ৫ মেগাপিক্সেলের ডেপ্থ সেন্সর। সামনে রয়েছে ১৬ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা। 
  • ডিসপ্লেঃ ৬ দশমিক ৪ ইঞ্চি সুপার ইনফিনিটি-ভি অ্যামোলেড
  • ডিভাইসটিতে এক্সিনোস ৭৯০৪ অক্টাকোর প্রসেসর, ৪ জিবি র‌্যাম, ৬৪ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ ব্যবহার করা হয়েছে। 
  • অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে ফোনটিতে দেওয়া হয়েছে অ্যান্ড্রয়েড পাই।
  • ফোনটিতে রয়েছে ৪ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি। দ্রুত গতিতে চার্জের জন্য থাকছে ১৫ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সুবিধা।

গ্যালাক্সি এ৫০এস হ্যান্ডসেটটিতে যা রয়েছেঃ

  • ফোনটিতে দেওয়া হয়েছে ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা সেটআপ। ক্যামেরা পিছনে ৪৮, ৮ ও ৫ মেগাপিক্সেল । সামনে আছে ৩২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। 
  • ডিসপ্লেঃ ৬ দশমিক ৪ ইঞ্চি সুপার অ্যামোলেড ইনফিনিটি-ইউ
  • ফোনটিতে রয়েছে এক্সিনোস ৯৬১১ অক্টাকোর প্রসেসর, ৬ জিবি র‌্যাম ও ১২৮ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ (৫১২ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যাবে)।
  • ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড পাই ওয়ানইউআই সমর্থিত। 
  • ফোনটিতে রয়েছে ৪ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি। দ্রুত গতিতে চার্জের জন্য থাকছে ১৫ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সুবিধা।

সাওমি বাজারে এনেছে ৪৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার রেডমি নোট ৭ ফোন

সাওমি মধ্যম বাজেটের মধ্যে মাত্র ১২,৭০০ টাকায় বাজারে এনেছে সাওমি রেডমি নোট ৭ ফোন।  ফোনটিতে দেওয়া হয়েছে ৪৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা।

চলুন ফোনটির বিস্তারিত জেনে নেইঃ

  • ফোনের স্ক্রিন- ৬.৩”(ওয়াটার ড্রপ নচ ডিচপ্লে) রেজুলেশন-১০৮০*২৩৪০ সাথে গরিলা গ্লাস ৫ ।  
  • সাওমির প্রধান আর্কষণ হল ক্যামেরা,এতে ব্যাবহার করা হয়েছে ৪৮ মেগাপিক্সেল এর বিশাল সেন্সর ক্যামেরা,সাথে ৫ মেগাপিক্সেল এর আর একটি ক্যামেরা। সেলফি তোলার জন্য আছে ১৩ মেগাপিক্সেল এর ক্যামেরা।যা দ্বারা অত্যন্ত নিখুত ছবি তোলা যাবে।
  • ফোনটিতে রয়েছে অ্যানড্রোয়েড ৯ পাই এবং MIUI ১০ সিস্টেম। 
  •  হাইব্রিড ডুয়াল সিম এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার রয়েছে।  
  •  ব্যাটারিঃ ৫৪০০০এমএএইচ,এর বিশেষ সুবিধা হল ০-১০০% চার্জ হতে ১ ঘন্টা ৪৩ মিনিট সময় লাগবে। 
  • চিপসেটঃ ৬৬০ স্ন্যাপড্রাগন। 
  • রেমঃ ৩/৪/৬ জিবি এবং ৩২/৬৪ স্টোরেজ পাওয়া যাবে। 
  • দামঃ ১৫০ ডলার (৩/৩২), ১৭৫ ডলার (৪/৬৪), ২০০ ডলার (৬/৬৪)। বাংলাদেশে আসলে দাম কিছুটা বাড়তে পারে। 
  • কালারঃ ব্লু,গোল্ড,ব্ল্যাক।

৮ জিবি র‍্যাম ও দুর্দান্ত স্পেসিফিকেশন নিয়ে এলো অপো রেনো ২ সিরিজ স্মার্টফোন

অপো মোবাইল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান তাদের রেনো সিরিজের সূচনা করেছে খুব বেশিদিন হয়নি। এটি একটি প্রিমিয়াম লাইনআপ। মূলত ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারগুলো কেই লক্ষ্য করেই তারা তাদের রোনো সিরিজটি চালু করে। রেনো সিরিজের বিশেষ একটি দিক হলো এর অসাধারণ ডিজাইন। এর ডিজাইন ও স্পেসিফিকেশন এর জন্যই রেনো সিরিজ টি বাজারে ভাল স্থান করে ফেলবে।


তাদের এই রেনো সিরিজের প্রথম বার অপো রেনো এবং অপো রেনো ১০এক্স জুম এর সাফল্যতার পর এবার তারা দ্বিতীয় বারের মতো এর তিনটি ফোন বাজারে আনছে।
এগুলো হলো অপো রেনো ২, অপো রেনো ২ জেড এবং অপো রেনো ২এফ।

এদের মাঝে রেনো ২ তে কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন চিপসেট ব্যবহৃত হলেও, রেনো ২জেড ও ২ এফ এ ব্যবহৃত হয়েছে মিডিয়াটেক চিপসেট। তাই ফোনগুলো মূলত ডিজাইন ও ক্যামেরার দিকে নজর দিয়ে বানানো হলেও এদের পারফর্মেন্স ও ফ্ল্যাগশিপ লেভেল এর। ফোনগুলো প্রথম যাত্রা শুরু করছে ভারত থেকে।



অপো রেনো ২ এর স্পেসিফিকেশনঃ


  • ডিসপ্লেঃ ৬.৫৫ ইঞ্চি, ফুল এইচডি প্লাস, ডায়নামিক এমোলেড ডিসপ্লে। 
  •  চিপসেটঃ কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৭৩০জি 
  •  র‍্যামঃ ৮ জিবি 
  •  স্টোরেজঃ ২৫৬ জিবি 
  •  ক্যামেরাঃ কোয়াড রিয়ার ক্যামেরা, এলইডি ফ্ল্যাশ 
  •  ৪৮ মেগাপিক্সেল সনি আইএমএক্স ৫৮৬ মেইন সেন্সর (ওআইএস+ইআইএস) 
  • ১৩ মেগাপিক্সেল টেলিফটো লেন্স 
  • ৮ মেগাপিক্সেল আল্ট্রাওয়াইড লেন্স (১১৬ ডিগ্রী) 
  • ২ মেগাপিক্সেল মনোক্রোম সেন্সর 
  • ১৬ মেগাপিক্সেল শার্ক ফিন পপ আপ সেলফি ক্যামেরা 
  • অন্যান্যঃ ব্লুটুথ ৫.০, ইন ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর, গরিলা গ্লাস ৫ ইত্যাদি 
  •  ব্যাটারিঃ ৪০০০ মিলিএম্প, ২০ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং 
  •  ওএসঃ এন্ড্রয়েড ৯.০ পাই ভিত্তিক কালার ওএস ৬ 
  •  মূল্যঃ ৩৭০০০ ভারতীয় রুপি থেকে শুরু

অপো রেনো ২জেড এর স্পেসিফিকেশনঃ


  • ডিসপ্লেঃ ৬.৫৩ ইঞ্চি, ফুল এইচডি প্লাস, এমোলেড ডিসপ্লে। 
  • চিপসেটঃ মিডিয়াটেক হেলিও পি৯০ 
  •  র‍্যামঃ ৮ জিবি 
  •  স্টোরেজঃ ২৫৬ জিবি 
  •  ক্যামেরাঃ কোয়াড রিয়ার ক্যামেরা, এলইডি ফ্ল্যাশ 
  •  ৪৮ মেগাপিক্সেল সনি আইএমএক্স ৫৮৬ মেইন সেন্সর (ইআইএস) 
  • ৮ মেগাপিক্সেল আল্ট্রাওয়াইড লেন্স (১১৬ ডিগ্রী) 
  • ২ মেগাপিক্সেল মনোক্রোম সেন্সর 
  • ২ মেগাপিক্সেল ডেপথ সেন্সর 
  • ১৬ মেগাপিক্সেল পপ আপ সেলফি ক্যামেরা 
  •  অন্যান্যঃ ব্লুটুথ ৫.০, ইন ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর, গরিলা গ্লাস ৫ ইত্যাদি 
  •  ব্যাটারিঃ ৪০০০ মিলিএম্প, ২০ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং 
  •  ওএসঃ এন্ড্রয়েড ৯.০ পাই ভিত্তিক কালার ওএস ৬ 
  •  মূল্যঃ ৩০০০০ ভারতীয় রুপি থেকে শুরু 

অপো রেনো ২এফ এর স্পেসিফিকেশনঃ


ডিসপ্লেঃ ৬.৫৩ ইঞ্চি, ফুল এইচডি প্লাস, এমোলেড ডিসপ্লে। 
চিপসেটঃ মিডিয়াটেক হেলিও পি৯০ 
র‍্যামঃ ৮ জিবি 
স্টোরেজঃ ১২৮ জিবি 
ক্যামেরাঃ কোয়াড রিয়ার ক্যামেরা, এলইডি ফ্ল্যাশ 
৪৮ মেগাপিক্সেল স্যামসাং জিএম১ মেইন সেন্সর (ইআইএস) 
৮ মেগাপিক্সেল আল্ট্রাওয়াইড লেন্স (১১৬ ডিগ্রী) 
২ মেগাপিক্সেল মনোক্রোম সেন্সর 
২ মেগাপিক্সেল ডেপথ সেন্সর 
১৬ মেগাপিক্সেল শার্ক ফিন পপ আপ সেলফি ক্যামেরা 
অন্যান্যঃ ব্লুটুথ ৫.০, ইন ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর, গরিলা গ্লাস ৫ ইত্যাদি 
ব্যাটারিঃ ৪০০০ মিলিএম্প, ২০ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং 
ওএসঃ এন্ড্রয়েড ৯.০ পাই ভিত্তিক কালার ওএস ৬  

৬৪ মেগাপিক্সেল কোয়াড ক্যামেরা নিয়ে এলো শাওমি রেডমি নোট ৮ সিরিজ

সাম্প্রতিক সময়ে শাওমি তাদের রেডমি সিরিজকে আলাদা একটি সাবব্র্যান্ড হিসেবে ঘোষণা করেছে। আর তার পরপরই মুক্তি পাওয়া রেডমি নোট ৭ সিরিজ রীতিমত বাজার কাঁপিয়েছে। এমনকি বাংলাদেশের বাজারেও নোট ৭ সিরিজ অফিশিয়াল ও আনঅফিসিয়ালভাবে ব্যাপক বিক্রি হয়েছিলো।



সেই নোট ৭ সিরিজের রেশ কাটতে না কাটতেই আজ চীনের বাজারে শাওমি লঞ্চ করলো তাদের নোট ৮ সিরিজ। এই সিরিজে মোট দুটি ফোন আসছে আপাতত। একটি হলো রেডমি নোট ৮ প্রো এবং অন্যটি হলো রেগুলার রেডমি নোট ৮।

দুটি ফোনেই থাকছে কোয়াড ক্যামেরা সেটআপ। ২০১৯ এর শেষে এসে চাইনিজ কোম্পানিগুলোর যেন ৪ টি রিয়ার ক্যামেরা না দিলে চলছেই না। অবশ্য যারা ফটোগ্রাফি করেন তাদের বিভিন্ন পারসপেক্টিভ পাওয়ার জন্য বিভিন্ন স্টাইলের লেন্স অনেক দরকারি। অন্যদিকে শাওমির নোট সিরিজগুলো যেন নিজের সাথেই নিজে পাল্লা দিয়ে ক্যামেরার রেজ্যুলেশন বাড়াচ্ছে!

নোট ৭ প্রো তে ৪৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা থাকলেও এবারের নোট ৮ প্রো তে থাকছে ৬৪ মেগাপিক্সেলের সেন্সর। তবে এটি স্যামসাং এর বানানো আইসোসেল জিডব্লিউ১ সেন্সর। তবে রেগুলার রেডমি নোট ৮ আগের মতোই ৪৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা সেন্সর নিয়ে এসেছে। 


পরিবর্তন এসেছে এবার চিপসেটেও। নোট ৮ প্রো তে সবাই কোয়ালকমের চিপ আশা করলেও এবার শাওমি একটু অন্যরকম চিন্তা করে মিডিয়াটেক এর হেলিও পি৯০টি চিপসেট দিয়েছে। আমাদের দেশে মিডিয়াটেক শুনলে অনেকে নাক সিটকালেও পি৯০টি একটি গেমিং চিপসেট। তাই এর থেকে নিঃসন্দেহে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন এর ৭৩০জি চিপের মতোই সেরা পারফর্মেন্স পাওয়া যাবে। এটাতে মিডিয়াটেক ব্যবহার করলেও রেডমি নোট ৮ এ কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন ৬৬৫ চিপসেট ব্যবহৃত হয়েছে। 

সেই সাথে রেডমি নোট ৮ প্রো একটি বাজেট ফোন হওয়া সত্ত্বেও এনএফসি ও আইপি৫২ রেটিং এর মতো প্রিমিয়াম কিছু ফিচার নিয়ে এসেছে। সবমিলিয়ে নোট ৮ সিরিজ মনে হচ্ছে নোট ৭ সিরিজের রেকর্ড ভাঙতে যাচ্ছে। অবশ্য রেকর্ড ভাঙ্গা কিংবা গড়ার ক্ষেত্রে শাওমির যে জুড়ি নেই সেটি আগেই অনেকবার প্রমাণ হয়ে গিয়েছে। এবার কি হয় সেটা সময়ই বলে দিবে।




রেডমি নোট ৮ প্রো এর স্পেসিফিকেশনঃ


  • ডিসপ্লেঃ ৬.৫৩ ইঞ্চি, ফুল এইচডি প্লাস, এলটিপিএস এলসিডি ডিসপ্লে।  
  • চিপসেটঃ মিডিয়াটেক হেলিও পি৯০টি 
  •  র‍্যামঃ ৮ জিবি 
  •  স্টোরেজঃ ১২৮ জিবি 
  •  ক্যামেরাঃ কোয়াড রিয়ার ক্যামেরা, এলইডি ফ্ল্যাশ 
  •  ৬৪ মেগাপিক্সেল স্যামসাং আইসোসেল জিডব্লিউ১ মেইন সেন্সর 
  • ৮ মেগাপিক্সেল আল্ট্রাওয়াইড লেন্স (১২০ ডিগ্রী) 
  • ২ মেগাপিক্সেল ম্যাক্রো লেন্স 
  • ২ মেগাপিক্সেল ডেপথ সেন্সর 
  • ২০ মেগাপিক্সেল ওয়াটারড্রপ নচ সেলফি ক্যামেরা 
  • অন্যান্যঃ লিকুইড কুলিং, রিয়ার মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর, গরিলা গ্লাস ৫, এনএফসি, আইপি৫২ সার্টিফিকেশন, টাইপ সি পোর্ট, ৩.৫ মিমি অডিও জ্যাক ইত্যাদি 
  •  ব্যাটারিঃ ৪৫০০ মিলিএম্প, কোয়ালকম কুইকচার্জ ৪.০ প্লাস 
  •  ওএসঃ এন্ড্রয়েড ৯.০ পাই ভিত্তিক মিইউআই ১০ 
  •  মূল্যঃ ১৩৯৯ চাইনিজ ইউয়ান (প্রায় ১৭ হাজার টাকার সমমান) থেকে শুরু

রেডমি নোট ৮ এর স্পেসিফিকেশনঃ



  •  ডিসপ্লেঃ ৬.৩ ইঞ্চি, ফুল এইচডি প্লাস, এলটিপিএস এলসিডি ডিসপ্লে।  
  • চিপসেটঃ কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৬৬৫ 
  •  র‍্যামঃ ৮ জিবি 
  •  স্টোরেজঃ ১২৮ জিবি 
  •  ক্যামেরাঃ কোয়াড রিয়ার ক্যামেরা, এলইডি ফ্ল্যাশ 
  •  ৪৮ মেগাপিক্সেল এফ/১.৭৯ মেইন সেন্সর 
  • ৮ মেগাপিক্সেল আল্ট্রাওয়াইড লেন্স (১২০ ডিগ্রী) 
  • ২ মেগাপিক্সেল ম্যাক্রো লেন্স 
  • ২ মেগাপিক্সেল ডেপথ সেন্সর 
  • ১৩ মেগাপিক্সেল ওয়াটারড্রপ নচ সেলফি ক্যামেরা 
  • অন্যান্যঃ রিয়ার মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর, গরিলা গ্লাস ৫ ইত্যাদি ব্যাটারিঃ ৪০০০ মিলিএম্প, ১৮ ওয়াট ফাস্ট চার্জ 
  • ওএসঃ এন্ড্রয়েড ৯.০ পাই ভিত্তিক মিইউআই ১০ 
  •  মূল্যঃ ৯৯৯ চাইনিজ ইউয়ান (প্রায় ১২ হাজার টাকার সমমান) থেকে শুরু
সেপ্টেম্বর মাসে বাজারে আসবে ফোনদুটি। তবে বাংলাদেশে বাজারে কবে আসতে চলেছে ফোনটি ও এর দাম তখন কেমন হবে তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছেনা।

পোস্টে কি আর লাইকের সংখ্যা দেখাবে না ফেসবুক?

সম্প্রতি ফেসবুক একটি পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। আর সেটি হলো কোন পোস্টে লাইক বা রিয়েকশন এর মোট সংখ্যা দেখাবে না তারা।

শুধু অন্য ব্যক্তিদেরই নয়, বরং নিজের পোস্টে মোট কতজন লাইক দিয়েছে সেটা নিজেও দেখতে পাবেন না ব্যবহারকারীরা। ইতিমধ্যে তারা ইন্সটাগ্রামে এই সার্ভিস পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করেছে।

আপাতত কানাডা ও ব্রাজিলসহ মোট ৭টি দেশের ব্যবহারকারীরা নতুন এই ফিচারটির অংশ হয়েছেন। তাদের ক্ষেত্রে ইন্সটাগ্রাম পোস্ট এর লাইকের মোট সংখ্যা হাইড করে রাখা হয়েছে। তারা শুধু কোন পোস্টে লাইক করা সকল ব্যক্তিদের মাঝে মিউচুয়াল ফ্রেন্ডদের মাঝে কিছু মানুষের নাম দেখতে পাবেন, যেখানে আগে সকল লাইককারী ব্যক্তিদের নাম দেখা যেত।

 রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং মাস্টার জেইন ওং ইতিমধ্যে দেখেছেন ফেসবুক তাদের অ্যাপে এই “হিডেন লাইক কাউন্ট” ফিচারটির প্রোটোটাইপ পরীক্ষা করছে। এ বিষয়ে জনপ্রিয় টেক নিউজ পোর্টাল টেকক্রাঞ্চ ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞাসা করলে তারা জানায় যে আসলেই ফেসবুক মোট লাইকের সংখ্যা মুছে দেয়ার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করছে। 

তবে এখনো পর্যন্ত তারা ইন্সটাগ্রাম এর লাইক কাউন্ট রিমুভ করার পরীক্ষার ফলাফলই প্রকাশ করে নি। তাই ইন্সটাগ্রামে লাইক রিমুভ করার ব্যাপারটি কতটা ফলপ্রসূ হয়েছে তা এখনো জানা যায় নি।

তবে ফেসবুক এর এই লাইক কাউন্ট রিমুভ করার ব্যাপারটিকে অনেকেই সাধুবাদ জানিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি বর্তমানে সারা পৃথিবীরই অন্যতম সমস্যা। কে কত লাইক পেলো কিংবা কার ফলোয়ার কত সেটাই আজকের বিশ্বের অন্যতম প্রতিযোগিতার বিষয়। বিভিন্ন গবেষণায় জানা গিয়েছে ফেসবুক কিংবা ইন্সটাগ্রাম এর এই লাইক-কমেন্ট পাওয়ার জন্য মানুষ এক অসুস্থ প্রতিযোগিতায় নেমেছে।

এমনকি নিজের ছবিতে আশানুরূপ লাইক কমেন্ট না আসলে সেটি নিয়ে অনেকেই হতাশায় পরেন। যার ফলে মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য ঝুঁকিও বাড়ছে। আর তাই ফেসবুক যদি সত্যি সত্যিই এই ফিচার চালু করে তাহলে হয়তো এসব সমস্যা থেকে কিছুটা হলেও প্রতিকার পাওয়া যাবে। 

আরো দ্রুত তম ডেটা ট্রান্সফারের সুবিধা নিয়ে এলো ইউএসবি ৪.০

বর্তমানে বিভিন্ন যন্ত্রপাতিতে ব্যবহৃত সবচেয়ে দ্রুতগতির ইউএসবি টেকনোলজি হলো ইউএসবি ৩.২। যদিও ইউএসবি ৩.২ সাপোর্টেড ডিভাইসগুলো এখনো মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরেই বলা চলে। তবে এরই মাঝে বিজ্ঞানীরা ইউএসবি এর সর্বশেষ ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ইউএসবি ৪.০ নিয়ে এসেছেন।


 ইউএসবি ৪.০ এর ঘোষণা প্রথমে দেয়া হয় এ বছরের মার্চ মাসে। তবে আজকেই ইউএসবি প্রোমোটার গ্রুপ এটির স্পেসিফিকেশন নিয়ে অফিশিয়াল প্রেস রিলিজ প্রকাশ করেছে। এর মানে হলো খুব শীঘ্রই বিভিন্ন ডিভাইসে এই প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হতে যাচ্ছে। ইউএসবি প্রোমোটার গ্রুপ হলো বিভিন্ন টেকনোলজি কোম্পানিগুলো নিয়ে গঠিত একটি ফাউন্ডেশন যা ইউএসবি প্রযুক্তির উন্নয়ন নিয়ে কাজ করে থাকে। এবারের ইউএসবি ৪.০ মূলত ইন্টেলের ডেভেলপ করা থান্ডারবোল্ট ৩ আর্কিটেকচারের উপর ভিত্তি করে বানানো হয়েছে।

যদিও আমরা ইতিমধ্যে বাজারে ইন্টেলের থান্ডারবোল্ট ৩ যুক্ত ডিভাইস অনেক দেখেছি তবে ইউএসবি প্রযুক্তিতে এটা সমন্বিত করার মাধ্যমে এটার কম্প্যাটিবিলিটি আরো বেড়েছে। একটি প্রেস রিলিজের মাধ্যমে ইউএসবি ৪ এর বিস্তারিত স্পেসিফিকেশন প্রকাশ করা হয়েছে।

এর মাঝে গুরুত্বপূর্নগুলো আপনাদের সুবিধার্থে এখানে দিয়ে দেয়া হলো।


  1. দ্রুতগতিঃ ইউএসবি ৪ বর্তমানের ইউএসবি টাইপ সি ক্যাবলের মাধ্যমে টু-লেন অপারেশন সাপোর্ট করে। এর তাত্ত্বিক স্পিড ৪০ জিবিপিএস যা ইউএসবি ৩ এর তুলনায় ৮ গুন বেশি। 
  2. উন্নত ডিসপ্লে ও ডেটা নিয়ন্ত্রণঃ একইসাথে এক্সটার্নাল ডিসপ্লে ও ডেটা ট্রান্সফার নিয়ন্ত্রণ এর জন্য একে আরো ভালোভাবে অপ্টিমাইজ করা হয়েছে। তার মানে আপনার ডিসপ্লে যদি কোন ইউএসবি ৪ পোর্টে X জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ দখল করে রাখে, তাহলে আপনি আরো ৪০-X জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ ডেটা ট্রান্সফার এর জন্য পাবেন। 
  3. ব্যাকওয়ার্ড কম্প্যাটিবিলিটিঃ ইউএসবি ৪ আপনার অন্যান্য ডিভাইসের ইউএসবি ২.০, ৩.০, ৩.১, ৩.২ এবং থান্ডারবোল্ট ৩ এর সাথে কম্প্যাটিবল। মানে আপনি পুরাতন প্রযুক্তির ঐসব পোর্টে ইউএসবি ৪ সাপোর্টেড ডিভাইস কানেক্ট করতে পারবেন। যদিও কাঙ্ক্ষিত ব্যান্ডউইদথ আর তখন পাবেন না। 

এন্ড্রয়েড ১০ এর সেরা ১০ ফিচার সমূহ

কিছুদিন আগে গুগল তাদের এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম এর সর্বশেষ ভার্সন এন্ড্রয়েড কিউ এর অফিশিয়াল নামকরণ করেছে। অনেকেই হয়তো জানেন যে এবারে তারা কোন মিষ্টান্নের নামে এন্ড্রয়েড ওএস এর নাম না রেখে সরাসরি এর নাম দিয়েছে এন্ড্রয়েড ১০।


যদিও বেটা প্রোগ্রাম এর কল্যাণে নতুন এই এন্ড্রয়েড ১০ এর বেশিরভাগ ফিচার সম্পর্কেই আপনারা ইতিমধ্যে অবগত আছেন, তার পরেও অফিশিয়ালি গুগল যেহেতু গতকাল তাদের এন্ড্রয়েড ১০ এর গুরুত্বপূর্ণ ফিচারগুলো ওয়েবসাইটে দিয়েছে সেই হিসেবে এক পলকে ফিচারগুলো দেখে নেয়াই যায়। 

চলুন এক নজরে এন্ড্রয়েড ১০ এর সেরা দশ ফিচার সম্পর্কে জেনে নেই


  1. লাইভ ক্যাপশনঃ এই ফিচারটির মাধ্যমে এক ট্যাপের মাধ্যমেই আপনার ফোনে প্লে হতে থাকা কোন মিডিয়া, যেমন- গান, ভিডিও, পডক্যাস্ট এমনকি আপনার রেকর্ড করা ভয়েসের ক্যাপশন (সাবটাইটেল) দেখতে পাবেন। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে এর জন্য ফোনকে ইন্টারনেটের সাথে কানেক্টেড থাকতেও হবে না। 
  2. স্মার্ট রিপ্লাইঃ এটিকে “সাজেস্টেড রিপ্লাই” ও বলা যায়। এই ফিচারটি মেসেজ অনুযায়ী আপনাকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে রিপ্লাই সাজেস্ট করবে যেন আপনাকে আর টাইপ করতে না হয় কিংবা কোন একশন সহজেই নিতে পারেন। যেমনঃ আপনাকে মেসেজে কোন বন্ধু ডিনারে আমন্ত্রণ জানালে এটি নোটিফিকেশন প্যানেলে আপনাকে হয়তো গুগল ম্যাপ্স এ লোকেশন দেখার কিংবা ক্যালেন্ডারে ইভেন্ট সেট করার সাজেশন দিবে! 
  3. সাউন্ড এমপ্লিফায়ারঃ এই ফিচার ব্যবহার করে আপনার সিস্টেম সাউন্ড কে বুস্ট করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে এটি আপনার ব্যাকগ্রাউন্ড নয়েজ ও পারিপার্শ্বিক অবস্থার উপর ভিত্তি করে নয়েস রিমুভ করে আপনি যেন ভালো শুনতে পান সে ব্যবস্থা করে দিবে। 
  4. উন্নত জেশ্চারঃ ন্যাভিগেশন জেশ্চার সুবিধা এন্ড্রয়েড পাই তে আসলেও এখন এটাকে আরো উন্নত ও সহজ করা হয়েছে। 
  5. ডার্ক থিমঃ এন্ড্রয়েড ১০ এর সবচেয়ে বড় পরিবর্তনই হলো এই সিস্টেমওয়াইড ডার্ক থিম। বেশ কিছুদিন ধরেই গুগল তাদের নিজেদের অ্যাপগুলোতে ডার্ক থিম যুক্ত করে আসছিলো। এবার এন্ড্রয়েড ১০ এর মাধ্যমে তাই পুরো ওএস কেই ডার্ক মোডে নিয়ে নেয়া যাবে। 
  6. প্রাইভেসি কন্ট্রোলঃ প্রাইভেসি কন্ট্রোলকে আরো সহজ করার জন্য সেটিংস মেন্যুতে প্রাইভেসি নামক আরেকটি সাবমেন্যু যুক্ত করা হয়েছে। তাছাড়া এড টার্গেটিং অফ করার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। 
  7. সিউক্যুরিটি আপডেটঃ আপডেট ব্যবস্থাকে এখন আরো উন্নত করা হয়েছে। সিক্যুরিটি আপডেট এর মতো জরুরী আপডেটগুলো এখন গুগল প্লে স্টোরের অন্যান্য অ্যাপ এর মতোই আপডেট করা যাবে। মজার ব্যাপার হচ্ছে অ্যাপ এর মতো আপডেট হওয়ায় ফোন রিস্টার্ট দেয়ারও কোন দরকার হচ্ছে না। 
  8. ফোকাস মোডঃ এর মাধ্যমে মনোযোগে কিংবা কাজে ব্যাঘাত ঘটায় এমন অ্যাপগুলোকে পজ করে রাখতে পারবেন। 
  9. ফ্যামিলি লিঙ্কঃ বাচ্চাদেরকে নিজের ফোন ব্যবহার করতে দেয়ার ক্ষেত্রে অবিভাবকদের সজাগ থাকতে হয়। আর সে কাজকে সহজ করতে এখন চাইলে বাচ্চাদের জন্য স্ক্রিন টাইম সেট করে দেয়া, অ্যাপ কিংবা কন্টেন্ট ব্লক করে দেয়া সহ অনেক কাজ করা যাবে। 
  10. লোকেশন কন্ট্রোলঃ কোন অ্যাপকে জিপিএস কিংবা লোকেশন এর পার্মিশন দেয়ার ব্যাপারটি এখন আরো নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে। এখন আপনি চাইলেই কোন অ্যাপকে লোকেশন পারমিশন পার্মানেন্টলি কিংবা স্থায়ীভাবে দিতে পারবেন। আবার শুধু অ্যাপ চালু থাকা অবস্থায়ই সেটি লোকেশন ব্যবহার করতে পারবে সে ব্যবস্থাও করতে পারবেন। 
কনটেন্টটি পড়ে এন্ড্রয়েড ১০ সম্পর্কে আপনার মতামত কি তা আমাদেরকে জানান কমেন্ট করে।